1. admin@dainikmanobadhikarsangbad.com : admin :
গোয়েন্দা নজরদারি বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে সরকার - দৈনিক মানবাধিকার সংবাদ
২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ| ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বুধবার| রাত ৪:৫৩|
শিরোনামঃ
ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুলের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদ সমাবেশ রামগড়ে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত খাগড়াছড়িতে ফারিয়ার প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের সকলের দায়িত্ব : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী তালা নব নির্মিত অফিসার্সক্লাব উদ্বোধন করলেন এমপি মুস্তফা লুৎফুল্লাহ তালায় ১৯৪ পূজা মন্ডপে সরকারি অনুদান বিতরণ প্রতি মন্ডপে থাকছে সিসি ক্যামেরা! দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ আইজিপির সেনাবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো দ্বিতীয় Casa C-295W ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট। পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে নারী-শিশুসহ ২৪ জনের মৃত্যু পাবনা জেলা গোয়েন্দা শাখার অভিযানে জেলার শীর্ষ মাদক সম্রাট শিমুল হোসেন বাপ্পি কে ৪,৫০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার।

গোয়েন্দা নজরদারি বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে সরকার

নিউজ ডেস্কঃ
  • Update Time : রবিবার, মার্চ ১৩, ২০২২,
  • 216 Time View

নিত্যপণ্যের বাজারে কৃত্রিম সঙ্কট রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। যে কোন মূল্যে বাজার দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সর্বাত্মক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বিশেষ করে কৃত্রিম সঙ্কট দেখিয়ে দ্রব্যমূল্য বাড়ানো ও অবৈধভাবে মজুদ করার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা।

১৩৫ জনের একটি তালিকা হাতে নিয়ে নজরদারি শুরু করেছে র‌্যাব, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশসহ আরও দুই গোয়েন্দা সংস্থা। এদের সার্বক্ষণিক গতিবিধির ওপর চলছে নজরদারি। এজন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনায় পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারাও বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে একাধিকবার বৈঠকও করেছেন। এদিকে গোয়েন্দা নজরদারিতে ক’জনকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। কঠোর গোয়েন্দা নজরদারির কারণে ইতোমধ্যে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

ঢাকা ও চট্টগ্রামের কয়েকটি আড়তে অভিযান চালিয়ে কালোবাজারিদের সন্ধান পেয়েছে র‌্যাব। তাদের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রাখায় ইতোমধ্যে পাইকারি বাজারে কিছুটা প্রভাব পড়ছে। যে কারণে গত তিনদিনে ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য দ্রব্যের দাম তেমন বাড়েনি। বরং কোথাও কোথাও দাম কমতে শুরু করেছে। শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজার, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট মহাখালী উত্তরা, বাদামতলীসহ কয়েকটি পণ্যের আড়তে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ও র‌্যাবসহ আরও একটি সংস্থার ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নজরে আসে। তারা দোকানে দোকানে গিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার সঙ্গে আলাপ করে পণ্যের দাম ও মান নিয়ে উভয়পক্ষের বক্তব্য নেয়। যদিও তেমন কোন অনিয়ম বা অভিযোগ তেমন পাওয়া যায়নি ক্রেতার কাছ থেকে।

একটি গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে, এখন প্রধান কাজ একটাই, বাজার নিয়ন্ত্রণ। সম্প্রতি সয়াবিন তেলের দাম বাড়ার পর আরও সঙ্কট দেখিয়ে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী বেশি দামে বিক্রি করছে। বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হলে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি দেখতে বলা হয়। এই নির্দেশনার পরপরই র‌্যাব ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ গোয়েন্দা ইউনিট কালোবাজারি ও কৃত্রিম সঙ্কট তৈরিকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানে নেমেছে। এরই মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ অন্যান্য বিভাগীয় ও জেলা শহরের পাইকারি ও খুচরো বাজারে নজরদারি ও অভিযান চালানো হয়েছে।

এ সব বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব পরিচালক খন্দকার আল মঈন বলেছেন, যে কোন মূল্যে বাজার দর ঠিক রাখা হবে। কেউ যাতে পণ্যের কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে দাম বাড়াতে না পারে সেজন্য র‌্যাবের সব ইউনিট সারাদেশে তৎপর রয়েছে। পাশাপাশি চলছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান।

জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, অসাধু ব্যবসায়ীদের অনৈতিক কর্মকা- সম্পর্কে ডিবি আগের চেয়ে আরও কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আমরা বাজারের অসাধু ব্যবসায়ীদের কর্মকাণ্ড মনিটরিংয়ের কাজ শুরু করেছি। গোয়েন্দা পুলিশের সব ইউনিটকে এ বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে সিন্ডিকেট তৈরি করে কোন পণ্যের দাম বাড়াতে না পারে, সেজন্য নজরদারি চলছে। প্রয়োজনে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নেয়া হবে।

র‌্যাব জানিয়েছে, একদিকে গত ক’দিনে ভোজ্যতেলের দামসহ কয়েকটি পণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে চলছে। অন্যদিকে ভোজ্য তেলেরও সঙ্কট তৈরির চেষ্টা চলছে। এমন তথ্য হাতে নিয়েই মাঠে নেমেছে এই এলিট ফোর্স। তারা ইতোমধ্যে রাজধানী ঢাকার ভেতরে যত পাইকারি বাজার রয়েছে, সেই তালিকা করে বাজার অনুযায়ী আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের গতিবিধি নজরদারি করছে। কে কোন পণ্য আমদানি-রফতানি করে, সেই তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি কার কোথায় গুদাম রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। ছদ্মবেশে বা ক্রেতা সেজে সাদা পোশাকে গোয়েন্দারা এসব পাইকারি মার্কেট থেকে পণ্য কেনার পর সঙ্কট তৈরির হোতাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। দোকানে বা গুদামে তেল রেখে বিক্রি করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে কিনা ক্রেতাদের কাছ থেকে সে সম্পর্কেও খোঁজখবর নিচ্ছে।

বাজারের চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি প্রভাবশালী গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীসহ সারাদেশে কতগুলো পাইকারি বাজারে কতজন ব্যবসায়ী কি পরিমাণ পণ্য আমদানি করছে সে তথ্য হাতে পেয়েছে। তারা সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের তালিকা করেছেন। তালিকা অনুযায়ী প্রত্যেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গুদামে নজরদারি করা হচ্ছে। একইসঙ্গে প্রতিটি পাইকারি বাজারে সাদা পোশাকে নজরদারি চলছে। যেসব ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের সদস্য হয়ে অধিক মুনাফার আশায় বাজারে সঙ্কট তৈরি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে মামলাসহ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনায় পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে একাধিকবার বৈঠকও করেছেন। একই সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে যাতে বাজারে একজন নগণ্য ক্রেতার অভিযোগের ভিত্তিতেও ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর রমজান আসার আগে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী পণ্য গুদামজাত করে বাজারে সঙ্কট তৈরি করে। পরে তা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করে। চলতি বছরও আসছে রমজানের আগেই বাজার কিছুটা অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে। এমন বাস্তবতায় একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে ঢাকার বাইরে থেকে আনা পণ্য কেন দ্বিগুণ বা তিনগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে, তার কারণ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই এখন চালানো হচ্ছে ফৌজদারি কার্যক্রম। ৬

এদিকে পুলিশের বিশেষ শাখার এক প্রতিবেদন সূত্রেও জানা গেছে, এবার হঠাৎ করে বিশ্ববাজার পরিস্থিতি ও ইউক্রেন সঙ্কটের অজুহাত দেখিয়ে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানো হয়। প্রতিবেশী ভারত পাকিস্তান ও মিয়ানমারের তুলনায় বাংলাদেশে ভোজ্যতেলের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির দরুন সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়েছে। বিশেষ করে এবারও রমজান মাসে বিভিন্ন পণ্যের কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে দ্রব্যমূল্য উর্ধগতিতে তোলার জন্য একটি সিন্ডিকেট কাজ করার তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েই সরকার কঠোর নীতি অবলম্বন করে।

জানা গেছে, একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও নজরদারি করা না হলে পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে সরকারের ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষুণœ হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এই সিন্ডিকেট সরকারকে বেকায়দায় ফেলে রাজনৈতিক ফায়দা নিতে পারে। কয়েকটি বিরোধী দল এ নিয়ে মাঠে গুজব রটানো ও অপপ্রচারে নামে।

এমন বাস্তবতার মুখে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে কয়েকটি সুপারিশও করা হয়েছে। যেমন ঢাকার বাইরে থেকে পণ্য আসার ক্ষেত্রে পথের সব ভোগান্তি, বিশেষ করে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। এছাড়া বিদেশ থেকে যারা পণ্য আমদানি করে, তাদের পণ্য খালাসে ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে সেবা দিয়ে দ্রুত পণ্য খালাস করে বাজারে নেয়ার কথা জোর দিয়ে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে টিসিবির মাধ্যমে ভর্তুকির মাধ্যমে আরও বেশি পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করতে পারলে অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। একইসঙ্গে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার বিষয়ে জোর দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, তারা ইতোমধ্যে নজরদারির মাধ্যমে যেসব ব্যবসায়ীর বিষয়ে সিন্ডিকেট তৈরি করে দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর বিষয়ে তথ্য পেয়েছেন, তাদের প্রতিষ্ঠানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যে কোন সময় ঝটিকা অভিযানের মাধ্যমে অসাধু সিন্ডিকেট সদস্যকে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি তার গুদামে থাকা অবৈধভাবে মুজদ পণ্য প্রয়োজনে জব্দের পর নিলামে বিক্রি করা হবে।

জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার শুক্রবার সন্ধ্যায় দৈনিক জনকণ্ঠকে বলেন, শুধু বাজারের দাম নয়, ভেজাল পণ্যের আড়ত সম্পর্কেও খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। বাজারের অসাধু ব্যবসায়ীদের কর্মকা- মনিটরিংয়ের কাজ চলছে। গোয়েন্দা পুলিশের সব ইউনিটকে এ বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হয়েছেÑ অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে সিন্ডিকেট তৈরি করে কোন পণ্যের দাম বাড়াতে না পারে। প্রয়োজনে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নেয়া হবে।

জানতে চাইলে র‌্যাব পরিচালক খন্দকার আল মঈন বলেন, বাজার ঠিক রাখতে সব ধরনের নজরদারি চলছে। পাশাপাশি রয়েছে র‌্যাবের নিজস্ব ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হবে যাতে কেউ কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে ফায়দা লুটতে না পারে। বিশেষ করে র‌্যাবের প্রধান কাজ হচ্ছে প্রতিটি আড়ত ও দোকানে পণ্যের তালিকা ও দাম ঠিকমতো মানা হচ্ছে কিনা সেটা নিশ্চিত করা। কারণ দেশে কোন দ্রব্যের সঙ্কট নেই। কাজেই পণ্যের সঙ্কট বা দাম বাাড়নোর কোন যৌক্তিক কারণ নেই। এজন্যই র‌্যাব দেখছে কোথায় কিভাবে পণ্যের দাম নেয়া হচ্ছে।

কতজন অসাধু ব্যবসায়ীর তালিকা তৈরি করেছেন প্রশ্ন করা হলে তালিকা করার চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে রাখা। এখন দেশের কোন বাজারে বা আড়তে কতজন ব্যবসায়ী কি করছে সে তথ্য র‌্যাবসহ অনেকের কাছেই রয়েছে। সেভাবেই কাজ করছি। আমাদের কাজ চলছে বেশ স্বচ্ছতার মাধ্যমে। যে কোন আইনী পদক্ষেপ নেয়া হলে সেট গণমাধ্যমকেও জানানো হচ্ছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান-তারা ইতোমধ্যে নজরদারির মাধ্যমে যেসব ব্যবসায়ীর বিষয়ে সিন্ডিকেট তৈরি করে দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর বিষয়ে তথ্য পেয়েছেন, তাদের প্রতিষ্ঠানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যে কোন সময় ঝটিকা অভিযানের মাধ্যমে অসাধু সিন্ডিকেট সদস্যকে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি তার গুদামে থাকা অবৈধভাবে মুজদ পণ্য প্রয়োজনে জব্দের পর নিলামে বিক্রি করা হবে।

এদিকে শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, এদিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের মুখে বেশ সতর্ক ছিলেন বিক্রেতারা। বিশেষ করে কাওরান বাজারের অধিকাংশ দোকানের সামনেই পণ্যের নাম ও দামের তালিকা টানানো দেখা গেছে।

দাম বৃদ্ধি সম্পর্কে জানতে চাইলে র‌্যাব পরিচালক খন্দকার আল মঈন বলেন, তেলের দাম না হয় আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে এই ভরা মৌসুমে দেশে পেঁয়াজের দাম এত বাড়বে কেন। এখনই তো আর আমদানির পেঁয়াজের ওপর নির্ভরশীল নয়। মাত্র দুমাস আগে পেঁয়াজ ওঠে গেছে। এখনও দেশের কোথাও কোথাও পেঁয়াজ উঠছে। কিন্তু দাম কেন বাড়ছে সেটা দেখতে হবে। র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারিতে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরাও রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © প্রকাশক কতৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত -২০২২